সাকিব-তামিমের ভবিষ্যৎ কোন পথে?

বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনে ২০২৫ সাল নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা আগ্রহী। তাদের ফর্ম, ফিটনেস এবং জাতীয় দলের প্রতি অবদান সবকিছু মিলিয়েই প্রশ্ন উঠছে, ২০২৫ সালে এই দুই তারকা ক্রিকেটার কোন পথে চলবেন?
সাকিব আল হাসান, বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। বয়স বাড়লেও তার অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা এখনও দলের জন্য অপরিহার্য। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, "আমি যতদিন ফিট থাকব এবং দেশের জন্য অবদান রাখতে পারব, ততদিন খেলে যেতে চাই।" তবে তিনি ২০২৫ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যাবেন কিনা, তা নিয়ে এখনও কোনো নিশ্চয়তা দেননি। তার ভক্তরা আশা করছেন, সাকিব ২০২৫ সালেও মাঠ মাতাবেন।
অন্যদিকে, তামিম ইকবাল, বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ওপেনার। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার ফর্ম কিছুটা ওঠানামা করছে। ইনজুরিও তাকে বেশ ভুগিয়েছে। তামিম অবশ্য আত্মবিশ্বাসী এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে দলে নিজের জায়গা ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর। "আমি চেষ্টা করছি নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য। ২০২৫ সাল অনেক দূরে, তবে আমি আশাবাদী যে আমি ভালো খেলতে পারব," তিনি সম্প্রতি জানান।
বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অবশ্য এই দুই তারকার ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। তবে বোর্ডের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, "সাকিব ও তামিম দুজনেই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তাদের অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্ব দলের জন্য মূল্যবান। আমরা আশা করি তারা ২০২৫ সালেও খেলবেন।"
তবে শুধু সাকিব-তামিম নন, ২০২৫ সালের মধ্যে আরও কিছু তরুণ ক্রিকেটার জাতীয় দলে নিজেদের জায়গা পাকা করতে পারেন। নাজমুল হোসেন শান্ত, শরিফুল ইসলাম, এবং তাওহীদ হৃদয় ইতিমধ্যেই নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। তাদের পাশাপাশি আরও কিছু উদীয়মান ক্রিকেটারও সুযোগের অপেক্ষায় আছেন।
বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা আশা করছেন, ২০২৫ সাল পর্যন্ত সাকিব ও তামিম দুজনেই জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন এবং দলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন। একইসঙ্গে তরুণ ক্রিকেটাররাও নিজেদের প্রমাণ করে দলের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করবেন, এমনটাই প্রত্যাশা। এখন দেখার বিষয়, সময় কিভাবে এই সমীকরণ মেলায়।